Dhaka ০৪:৫৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
জকিগঞ্জ ক্রিকেট প্রিমিয়ার লীগের প্লেয়ার ড্রাফট ১২ সেপ্টেম্বর জকিগঞ্জে সেমিফাইনাল জিতেও ৫০ হাজার টাকা জরিমানার মুখে বিরশ্রী ফুটবল একাদশ দেশে সারের সংকট, কৃষকের হাহাকার,মিয়ানমারে পাচারের সময় সারভর্তি লরি আটক সিলেট বিভাগীয় ক্রীড়া সংস্থার সদস্য-সচিব হলেন বিএনপি নেতা পাপলু জকিগঞ্জে কাজলসার ইউপি চেয়ারম্যান ও সাবেক ছাত্রলীগ সভাপতি আশরাফুল আম্বিয়া গ্রেফতার জকিগঞ্জ বাজারের ট্রাফিক ডালিমকে মানবিক উপহার দিলেন ওসি আব্দুর রাজ্জাক আশুগঞ্জে ১২০০ পিস ইয়াবাসহ জকিগঞ্জের মাদক কারবারি গ্রেফতার সোনাসার বাজারের পূর্ব পাশে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় যুবক গুরুতর আহত জকিগঞ্জ পৌরসভা নির্বাচন: ২নং ওয়ার্ডে কাউন্সিলর পদে প্রার্থী সজীব আহমদ বিয়ানীবাজারের চারখাইয়ে ২১ লাখ টাকার ইয়াবাসহ জকিগঞ্জের শহিদুল গ্রেপ্তার

বিশ্বনাথে ব্যবসায়ীর বউসহ মালামাল স্বর্নালংকার নিয়ে উদাও’র অভিযোগে পুলিশ সুপারের কাছে দরখাস্ত

  • প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেটের সময়: ০৬:৫১:১৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬
  • ১৯৪ সময় দেখুন
27

সিলেটের বিশ্বনাথ থানায় কর্মরত প্রভাবশালী পুলিশ কনেষ্টবল নাজমূল সোনা-গয়না, টাকা পয়সা, ৩টি সিএনজি অটোরিক্সা, ১টি নৌকা ইত্যাদি সহকারে আমার স্ত্রীকে পালিয়ে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ দায়ের করেছেন এক ব্যবসায়ী। অভিযোগ সুত্রে জানা যায়,
হবিগঞ্জ জেলার
নবীগঞ্জ থানার গুলডোবা গ্রামের বাসিন্দা ও বিম্বানাথ থানা এলাকার সুরমা আবাসিক এলাকার ব্যবসাযী আব্দুল ওয়াদুদ ইমন (৩৮), এর স্ত্রী পিয়ারা আক্তার খুশীর সাথে পরকিয়ার করে স্বর্নালংকার, ৩টি সিএনজিসহ মালামাল নিয়ে পালিয়ে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ করেন। অভিযুক্তরা হলেন বিম্বনাথ থানার কনষ্টেবল নাজমুল হোসেন। সে সুনামগঞ্জ জেলার সদর থানার বাসিন্দা। অবিযোগকারী আব্দুল ওয়াদুদ ইমন এর স্ত্রী তাহিরপুর থানার বালিজুরি মেগারগাও গ্রামের শফিক মিয়ার কন্যা পিয়ারা আক্তার (খুশি) (৩৯)।
ঘটনার তারিখ ও সময়: ২৮/০৪/২০২৬ইং বেলা অনুমান ৪.০০ ঘটিকার সময় এবং ১৭/০৬/২০২৬ইং বিকাল ৩.০০ ঘটিকা। ঘটনা স্থল- বাদীর বর্তমান ঠিকানার বাসায়।
জানা যায়,

বিশ্বনাথ থানার পুলিশ কনষ্টেবল নাজমুল হোসেনের সাথে অবিযোগকারীর স্ত্রী খুশির সাথে পরকিয়ার সম্পর্ক গড়ে তুলেন। অভিযোগকারী একজন ব্যবসায়ী হওয়ায় বাহিরে থাকার কারনে অবৈধ সম্পর্ক গড়ে তুলেন। খুশীর সাথে বিগত ২০২০ সালে ইসলামী শরীয়তের বিধান মোতাবেক বিবাহ হয়েছিল। বিবাহের পর থেকে কুশীকে নিয়ে বর্তমান ঠিকানায় ঘটনাস্থলের বাসায় বসবাস করিয়া আসিতেছি। কনস্টেবল নাজমুল ও খুশী মোবাইল ফোনের মাধ্যমে পরিচিত হয়ে পরকিয়া প্রেমের উপজাত সৃষ্টি করেন। সেই সুত্রধরে তারা দুজনে প্রায় সময় আমার অজান্তে দেখা সাক্ষাত করিয়া অবৈধ মেলামেশা করিত। এক সময় তাদের পরকিয়ার বিষযটি অভিযোগকারীর কাছে ধরা পড়ে কিন্তু লোক সমাজে মান সম্মান ক্ষুন্ন হওয়ার ভয়ে নিরবে সব কিছু সহ্য করে সংসার করার অপ্রাণ চেষ্টা করেন। খুশি প্রায়ই অভিযোগকারীর সহিত খারাপ আচরণ করতে থাকেন এবং তাহাকে তালাক দেওয়ার জন্য চাপ সৃষ্টি করে। পরবর্তীতে খুশি পারিবারিক বিভিন্ন সমস্যার সৃষ্টি করে এবং অভিযোগকারীর কস্টে অর্জিত ৩ (তিন)টি সিএনজি অটোরিক্সা যাহার মুল্য ১৫,০০,০০০/- টাকা, একটি ষ্টীলের নৌকা যাহার মুল্য ১২,০০,০০০/- টাকা, ৫ ভরি স্বর্ণ যাহার মূল্য ১০,০০,০০০/- টাকা কনস্টেবল নাজমুলের কুপরামর্শে হাতিয়ে নিয়ে যায়। সম্পদের লোভে পড়িয়া অবিযোগকারীর স্ত্রীকে কনস্টেবল খুশীকে বিবাহের প্রলোভন দেখাইয়া ও ফুসলাইয়া বিগত ২৮/০৪/২০২৬ইং তারিখে তাহার কাছে নিয়ে যায়। পরবর্তীতে অভিযোগকারী স্থানীয়ভাবে তার স্ত্রীকে আনার জন্য বিচার পঞ্চায়েত করিয়া ব্যর্থ হয়ে পুলিশ সুপারসহ বিশ্বনাথ থানায় লিখিত অভিযোগ দায়েরন। সুচতুর কনস্টেবল নাজমুল সময়ক্ষেপন করতে থাকেন এবং অভিযোগকারীকে যে কোন সময় বড় ধরনের মিথ্যা মামলায় ঢুকাইয়া জেলে পাঠিয়ে দেয়ার হুমকি দেন। করে এবং ২নং আসামী আমার স্ত্রীকে আমার নিকট মিথাইয়া দিবে না, পারলে কোন কিছু করে নিতে বিলেও হুমকি দেয়। এ ব্যাপারে আব্দুল ওয়াদুদ ইমন জানান,ন্যায বিচারে স্বার্থে ও আমার স্ত্রীসহ যাবতীয় মালামাল ফিরিয়ে পেতে পুলিশ সুপারের দৃস্টি কামনা করছি।
এ ব্যাপারে অভিযুক্ত কনস্টেবল বলেন, ইমনের স্ত্রী কোথায় আছে তা আমি জানি না। আমার সাথে কোন সম্পর্ক নেই। মিথ্যা তথ্য উপস্থাপন করে আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ করা হয়েছে। এ ব্যাপারে সিলেট পুলিশ সুপার এর বক্তব্য জানতে বার বার কল দিলে রিসিভ না করায় বক্তব্য নেযা সম্ভব হয়নি।

Tag :
জনপ্রিয় পোস্ট

জকিগঞ্জ ক্রিকেট প্রিমিয়ার লীগের প্লেয়ার ড্রাফট ১২ সেপ্টেম্বর

বিশ্বনাথে ব্যবসায়ীর বউসহ মালামাল স্বর্নালংকার নিয়ে উদাও’র অভিযোগে পুলিশ সুপারের কাছে দরখাস্ত

আপডেটের সময়: ০৬:৫১:১৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬
27

সিলেটের বিশ্বনাথ থানায় কর্মরত প্রভাবশালী পুলিশ কনেষ্টবল নাজমূল সোনা-গয়না, টাকা পয়সা, ৩টি সিএনজি অটোরিক্সা, ১টি নৌকা ইত্যাদি সহকারে আমার স্ত্রীকে পালিয়ে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ দায়ের করেছেন এক ব্যবসায়ী। অভিযোগ সুত্রে জানা যায়,
হবিগঞ্জ জেলার
নবীগঞ্জ থানার গুলডোবা গ্রামের বাসিন্দা ও বিম্বানাথ থানা এলাকার সুরমা আবাসিক এলাকার ব্যবসাযী আব্দুল ওয়াদুদ ইমন (৩৮), এর স্ত্রী পিয়ারা আক্তার খুশীর সাথে পরকিয়ার করে স্বর্নালংকার, ৩টি সিএনজিসহ মালামাল নিয়ে পালিয়ে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ করেন। অভিযুক্তরা হলেন বিম্বনাথ থানার কনষ্টেবল নাজমুল হোসেন। সে সুনামগঞ্জ জেলার সদর থানার বাসিন্দা। অবিযোগকারী আব্দুল ওয়াদুদ ইমন এর স্ত্রী তাহিরপুর থানার বালিজুরি মেগারগাও গ্রামের শফিক মিয়ার কন্যা পিয়ারা আক্তার (খুশি) (৩৯)।
ঘটনার তারিখ ও সময়: ২৮/০৪/২০২৬ইং বেলা অনুমান ৪.০০ ঘটিকার সময় এবং ১৭/০৬/২০২৬ইং বিকাল ৩.০০ ঘটিকা। ঘটনা স্থল- বাদীর বর্তমান ঠিকানার বাসায়।
জানা যায়,

বিশ্বনাথ থানার পুলিশ কনষ্টেবল নাজমুল হোসেনের সাথে অবিযোগকারীর স্ত্রী খুশির সাথে পরকিয়ার সম্পর্ক গড়ে তুলেন। অভিযোগকারী একজন ব্যবসায়ী হওয়ায় বাহিরে থাকার কারনে অবৈধ সম্পর্ক গড়ে তুলেন। খুশীর সাথে বিগত ২০২০ সালে ইসলামী শরীয়তের বিধান মোতাবেক বিবাহ হয়েছিল। বিবাহের পর থেকে কুশীকে নিয়ে বর্তমান ঠিকানায় ঘটনাস্থলের বাসায় বসবাস করিয়া আসিতেছি। কনস্টেবল নাজমুল ও খুশী মোবাইল ফোনের মাধ্যমে পরিচিত হয়ে পরকিয়া প্রেমের উপজাত সৃষ্টি করেন। সেই সুত্রধরে তারা দুজনে প্রায় সময় আমার অজান্তে দেখা সাক্ষাত করিয়া অবৈধ মেলামেশা করিত। এক সময় তাদের পরকিয়ার বিষযটি অভিযোগকারীর কাছে ধরা পড়ে কিন্তু লোক সমাজে মান সম্মান ক্ষুন্ন হওয়ার ভয়ে নিরবে সব কিছু সহ্য করে সংসার করার অপ্রাণ চেষ্টা করেন। খুশি প্রায়ই অভিযোগকারীর সহিত খারাপ আচরণ করতে থাকেন এবং তাহাকে তালাক দেওয়ার জন্য চাপ সৃষ্টি করে। পরবর্তীতে খুশি পারিবারিক বিভিন্ন সমস্যার সৃষ্টি করে এবং অভিযোগকারীর কস্টে অর্জিত ৩ (তিন)টি সিএনজি অটোরিক্সা যাহার মুল্য ১৫,০০,০০০/- টাকা, একটি ষ্টীলের নৌকা যাহার মুল্য ১২,০০,০০০/- টাকা, ৫ ভরি স্বর্ণ যাহার মূল্য ১০,০০,০০০/- টাকা কনস্টেবল নাজমুলের কুপরামর্শে হাতিয়ে নিয়ে যায়। সম্পদের লোভে পড়িয়া অবিযোগকারীর স্ত্রীকে কনস্টেবল খুশীকে বিবাহের প্রলোভন দেখাইয়া ও ফুসলাইয়া বিগত ২৮/০৪/২০২৬ইং তারিখে তাহার কাছে নিয়ে যায়। পরবর্তীতে অভিযোগকারী স্থানীয়ভাবে তার স্ত্রীকে আনার জন্য বিচার পঞ্চায়েত করিয়া ব্যর্থ হয়ে পুলিশ সুপারসহ বিশ্বনাথ থানায় লিখিত অভিযোগ দায়েরন। সুচতুর কনস্টেবল নাজমুল সময়ক্ষেপন করতে থাকেন এবং অভিযোগকারীকে যে কোন সময় বড় ধরনের মিথ্যা মামলায় ঢুকাইয়া জেলে পাঠিয়ে দেয়ার হুমকি দেন। করে এবং ২নং আসামী আমার স্ত্রীকে আমার নিকট মিথাইয়া দিবে না, পারলে কোন কিছু করে নিতে বিলেও হুমকি দেয়। এ ব্যাপারে আব্দুল ওয়াদুদ ইমন জানান,ন্যায বিচারে স্বার্থে ও আমার স্ত্রীসহ যাবতীয় মালামাল ফিরিয়ে পেতে পুলিশ সুপারের দৃস্টি কামনা করছি।
এ ব্যাপারে অভিযুক্ত কনস্টেবল বলেন, ইমনের স্ত্রী কোথায় আছে তা আমি জানি না। আমার সাথে কোন সম্পর্ক নেই। মিথ্যা তথ্য উপস্থাপন করে আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ করা হয়েছে। এ ব্যাপারে সিলেট পুলিশ সুপার এর বক্তব্য জানতে বার বার কল দিলে রিসিভ না করায় বক্তব্য নেযা সম্ভব হয়নি।