Dhaka ০৬:৩৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
জকিগঞ্জ ক্রিকেট প্রিমিয়ার লীগের প্লেয়ার ড্রাফট ১২ সেপ্টেম্বর জকিগঞ্জে সেমিফাইনাল জিতেও ৫০ হাজার টাকা জরিমানার মুখে বিরশ্রী ফুটবল একাদশ দেশে সারের সংকট, কৃষকের হাহাকার,মিয়ানমারে পাচারের সময় সারভর্তি লরি আটক সিলেট বিভাগীয় ক্রীড়া সংস্থার সদস্য-সচিব হলেন বিএনপি নেতা পাপলু জকিগঞ্জে কাজলসার ইউপি চেয়ারম্যান ও সাবেক ছাত্রলীগ সভাপতি আশরাফুল আম্বিয়া গ্রেফতার জকিগঞ্জ বাজারের ট্রাফিক ডালিমকে মানবিক উপহার দিলেন ওসি আব্দুর রাজ্জাক আশুগঞ্জে ১২০০ পিস ইয়াবাসহ জকিগঞ্জের মাদক কারবারি গ্রেফতার সোনাসার বাজারের পূর্ব পাশে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় যুবক গুরুতর আহত জকিগঞ্জ পৌরসভা নির্বাচন: ২নং ওয়ার্ডে কাউন্সিলর পদে প্রার্থী সজীব আহমদ বিয়ানীবাজারের চারখাইয়ে ২১ লাখ টাকার ইয়াবাসহ জকিগঞ্জের শহিদুল গ্রেপ্তার

জকিগঞ্জ তালামীযের সম্মেলনে প্রধান অতিথিকে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করেন ওসি (তদন্ত) সুজন মিয়া

56

জকিগঞ্জ উপজেলা তালামীযে ইসলামিয়ার সম্মেলনকে কেন্দ্র করে প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা থামছেই না। সম্মেলনের প্রধান অতিথি বাংলাদেশ আনজুমানে আল ইসলাহর কেন্দ্রীয় সভাপতি ও সাবেক সংসদ সদস্য মাওলানা হুছামুদ্দীন চৌধুরী ফুলতলীর বক্তব্যের পর বিষয়টি নতুন মাত্রা পেয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  জকিগঞ্জ ক্রিকেট প্রিমিয়ার লীগের প্লেয়ার ড্রাফট ১২ সেপ্টেম্বর

সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানায়, সম্মেলনের আগের রাতে জকিগঞ্জ থানার ওসি (তদন্ত) মোহাম্মদ সুজন মিয়া মাওলানা হুছামুদ্দীন চৌধুরী ফুলতলীর ব্যক্তিগত নম্বরে ফোন করেন। ফোনটি তাঁর ব্যক্তিগত সহকারী রিসিভ করেন বলে জানা গেছে। উপস্থিত একাধিক ব্যক্তি দাবি করেছেন, ওই আলাপচারিতায় সম্মেলনে উপস্থিত না হওয়ার বিষয়ে বার্তা দেওয়া হয়েছিল।

আরও পড়ুনঃ  জকিগঞ্জ ক্রিকেট প্রিমিয়ার লীগের প্লেয়ার ড্রাফট ১২ সেপ্টেম্বর

ঘটনার সবচেয়ে আলোচিত দিক হলো—প্রশাসনের পক্ষ থেকে যোগাযোগ করা হয়েছে সরাসরি প্রধান অতিথির সঙ্গে, আয়োজক কমিটির সঙ্গে নয়। স্থানীয়দের প্রশ্ন, কোনো অনুষ্ঠান নিয়ে প্রশাসনের উদ্বেগ থাকলে আয়োজকদের সঙ্গে আলোচনা না করে কেন প্রধান অতিথির সঙ্গে যোগাযোগ করা হলো?

এদিকে তালামীয ও আল ইসলাহ সংশ্লিষ্ট নেতাকর্মীদের অভিযোগ, সম্মেলনে বাধা দেওয়ার চেষ্টার পেছনে একটি ইসলামী রাজনৈতিক দলের কয়েকজন যুবনেতার সম্পৃক্ততাও থাকতে পারে। তাদের দাবি, সম্মেলনের আগের রাতে ওই নেতাদের থানায় এবং পরে ডাকবাংলো এলাকায় দেখা গেছে।

অন্যদিকে জকিগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ আব্দুর রাজ্জাক বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে চলমান কিছু লেখালেখির বিষয় বিবেচনায় রেখে মাওলানা হুছামুদ্দীন চৌধুরীকে সম্মেলনে না আসার পরামর্শ দেওয়া হয়েছিল। তবে সম্মেলন আয়োজনে প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোনো বাধা সৃষ্টি করা হয়নি বলেও তিনি দাবি করেন।

আরও পড়ুনঃ  জকিগঞ্জ ক্রিকেট প্রিমিয়ার লীগের প্লেয়ার ড্রাফট ১২ সেপ্টেম্বর

তিনি জানান, অনুষ্ঠানটি শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয়েছে এবং সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মাঠে উপস্থিত ছিলেন।

তবে তালামীয ও আল ইসলাহ নেতাকর্মীদের দাবি, কোনো অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথিকে উপস্থিত না হওয়ার অনুরোধ জানানোই প্রশাসনিক হস্তক্ষেপের শামিল। ফলে জকিগঞ্জের এই সম্মেলন ঘিরে এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন—যদি প্রশাসনের কোনো উদ্বেগ থেকেই থাকে, তাহলে আয়োজকদের সঙ্গে আলোচনা না করে কেন সরাসরি প্রধান অতিথির সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছিল?

জনতা টিভি | সত্যের সন্ধানে নির্ভীক

Tag :
জনপ্রিয় পোস্ট

জকিগঞ্জ ক্রিকেট প্রিমিয়ার লীগের প্লেয়ার ড্রাফট ১২ সেপ্টেম্বর

জকিগঞ্জ তালামীযের সম্মেলনে প্রধান অতিথিকে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করেন ওসি (তদন্ত) সুজন মিয়া

আপডেটের সময়: ১২:৪৫:৩৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬
56

জকিগঞ্জ উপজেলা তালামীযে ইসলামিয়ার সম্মেলনকে কেন্দ্র করে প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা থামছেই না। সম্মেলনের প্রধান অতিথি বাংলাদেশ আনজুমানে আল ইসলাহর কেন্দ্রীয় সভাপতি ও সাবেক সংসদ সদস্য মাওলানা হুছামুদ্দীন চৌধুরী ফুলতলীর বক্তব্যের পর বিষয়টি নতুন মাত্রা পেয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  জকিগঞ্জ ক্রিকেট প্রিমিয়ার লীগের প্লেয়ার ড্রাফট ১২ সেপ্টেম্বর

সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানায়, সম্মেলনের আগের রাতে জকিগঞ্জ থানার ওসি (তদন্ত) মোহাম্মদ সুজন মিয়া মাওলানা হুছামুদ্দীন চৌধুরী ফুলতলীর ব্যক্তিগত নম্বরে ফোন করেন। ফোনটি তাঁর ব্যক্তিগত সহকারী রিসিভ করেন বলে জানা গেছে। উপস্থিত একাধিক ব্যক্তি দাবি করেছেন, ওই আলাপচারিতায় সম্মেলনে উপস্থিত না হওয়ার বিষয়ে বার্তা দেওয়া হয়েছিল।

আরও পড়ুনঃ  জকিগঞ্জ ক্রিকেট প্রিমিয়ার লীগের প্লেয়ার ড্রাফট ১২ সেপ্টেম্বর

ঘটনার সবচেয়ে আলোচিত দিক হলো—প্রশাসনের পক্ষ থেকে যোগাযোগ করা হয়েছে সরাসরি প্রধান অতিথির সঙ্গে, আয়োজক কমিটির সঙ্গে নয়। স্থানীয়দের প্রশ্ন, কোনো অনুষ্ঠান নিয়ে প্রশাসনের উদ্বেগ থাকলে আয়োজকদের সঙ্গে আলোচনা না করে কেন প্রধান অতিথির সঙ্গে যোগাযোগ করা হলো?

এদিকে তালামীয ও আল ইসলাহ সংশ্লিষ্ট নেতাকর্মীদের অভিযোগ, সম্মেলনে বাধা দেওয়ার চেষ্টার পেছনে একটি ইসলামী রাজনৈতিক দলের কয়েকজন যুবনেতার সম্পৃক্ততাও থাকতে পারে। তাদের দাবি, সম্মেলনের আগের রাতে ওই নেতাদের থানায় এবং পরে ডাকবাংলো এলাকায় দেখা গেছে।

অন্যদিকে জকিগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ আব্দুর রাজ্জাক বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে চলমান কিছু লেখালেখির বিষয় বিবেচনায় রেখে মাওলানা হুছামুদ্দীন চৌধুরীকে সম্মেলনে না আসার পরামর্শ দেওয়া হয়েছিল। তবে সম্মেলন আয়োজনে প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোনো বাধা সৃষ্টি করা হয়নি বলেও তিনি দাবি করেন।

আরও পড়ুনঃ  জকিগঞ্জ ক্রিকেট প্রিমিয়ার লীগের প্লেয়ার ড্রাফট ১২ সেপ্টেম্বর

তিনি জানান, অনুষ্ঠানটি শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয়েছে এবং সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মাঠে উপস্থিত ছিলেন।

তবে তালামীয ও আল ইসলাহ নেতাকর্মীদের দাবি, কোনো অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথিকে উপস্থিত না হওয়ার অনুরোধ জানানোই প্রশাসনিক হস্তক্ষেপের শামিল। ফলে জকিগঞ্জের এই সম্মেলন ঘিরে এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন—যদি প্রশাসনের কোনো উদ্বেগ থেকেই থাকে, তাহলে আয়োজকদের সঙ্গে আলোচনা না করে কেন সরাসরি প্রধান অতিথির সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছিল?

জনতা টিভি | সত্যের সন্ধানে নির্ভীক