
তিনি বলেন, ট্রাফিক আইন আসলে সবার জন্যই সমান। সেটা সরকারি হোক, বেসরকারি হোক। যেমন আমরা কিন্তু ক্লিয়ার মেসেজ দিয়েছি যে আমাদের পুলিশ সদস্যের কেউ যদি ট্রাফিক আইন অমান্য করে তাহলে ট্রাফিক আইন অনুযায়ী আমরা তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেব।
বিজ্ঞাপন
সংবাদ সম্মেলন শেষে ডিএমপি সদর দপ্তরের দিকে যাওয়ার পথে তিনি ওই অনির্ধারিত পথটি পার হন। মিন্টো রোডের ডিএমপি মিডিয়া সেন্টার থেকে ডিএমপি সদর দপ্তরের দিকে যেতে হলে সাধারণ যানবাহনগুলোকে অনেকটা পথ ঘুরে মগবাজারে ফ্লাইওভারের নিচ দিয়ে ইউটার্ন নিতে হয়। কারণ মিন্টো রোড সিগন্যালটি ওয়ান ওয়ে করা। শুধু মগবাজার থেকে আসা যানবাহন ইউটার্ন করতে পারবে।
তবে বৃহস্পতিবার মিডিয়া সেন্টারে সংবাদ সম্মেলন শেষে ডিএমপি কমিশনার মোসলেহ উদ্দিন আহমদের গাড়িবহর অবশ্য সে পথে গেলেন না। মিন্টো রোডের ওই ক্রসিংয়ে ত্রিকোণাকৃতির কোন ও দড়ি দিয়ে পুলিশ সাধারণের জন্য যে প্রতিবন্ধকতা তৈরি করেছিল সেটি সরিয়েই বিকেল ৪টা ৫৮ মিনিটের দিকে নিজেদের কমিশনারকে পার করে দিতে দেখা গেল পুলিশ সদস্যদের।
সরেজমিনে দেখা যায়, কমিশনারের সংবাদ সম্মেলন শেষ হওয়ার পরপরই ওই ক্রসিংয়ের দড়ির প্রতিবন্ধকতা সরিয়ে দিয়ে দুই পাশে দাঁড়িয়ে যান দুজন পুলিশ সদস্য। কমিশনারের গাড়ি বহর আসার আগে ওই সড়কের দুই পাশের রাস্তাতেই যান চলাচল বন্ধ করে দেন পুলিশ সদস্যরা। কমিশনারের গাড়ি বহর পার হওয়ার পর তারা আবার দড়ির প্রতিবন্ধকতাটি যথাস্থানে রেখে দেন এবং ক্রসিংটি আগের মতো বন্ধ করে দেন।
যদিও এখন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের গমনাগমনের ক্ষেত্রেও কোন রাস্তা বন্ধ রাখা হয় না বলে বিভিন্ন সময় পুলিশের পক্ষ থেকেই জানানো হয়েছে। ওই পথে নিয়মিত চলাচল করা মোটরসাইকেলসহ বিভিন্ন যানবাহনের চালকরা বিরূপ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন।
আরও পড়ুন
৩০০ ফিটে স্কুটির সঙ্গে প্রাইভেটকারের ধাক্কা, আহত চীনা নাগরিকের মৃত্যু
গলাকাটা মুরগির মতো ছটফট করছিল বাচ্চাগুলো!
আদালতে সোহেল-স্বপ্না : যুক্তিতর্ক শুরু
ওই পথে নিয়মিত চলা মেহেদি হাসান নামে এক মোটরসাইকেল চালক বলেন, মিন্টো রোডে ক্রসিং ও ইউটার্ন ছিল। সেটি বেশ কয়েক মাস হলো পুলিশ ওয়ান ওয়ে করেছে। অর্থাৎ শুধু মগবাজার থেকে ছেড়ে আসা যানবাহনই চাইলে মাত্র ইউটার্ন নিতে পারবে। কিন্তু মগবাজারগামী কিংবা মিন্টো রোড থেকে আসা যানবাহন ইউটার্ন নিতে চাইলে মগবাজার মোড় হয়ে টার্ন নিতে হবে। কিছুক্ষণ আগে পুলিশের একটি গাড়ি বহর এই অনির্ধারিত ক্রসিং অতিক্রম করলো, যেটা কিনা সাধারণের জন্য সবসময় বন্ধই থাকে।
আরেক মোটরসাইকেল চালক আলামিন বলেন, পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা কেউ সিকিউরিটি প্রটোকল নিতেই পারেন। কিন্তু রাস্তা আটকে চলাচল করা তো আইনের ব্যত্যয়। তাহলে কি আইন সবার জন্য সমান না?
জেইউ/আরএফ/বিআরইউ
Mehedi 










